
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি ::
দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন তেলিপাড়ায় জমি দখল করতে এসে পিতা পুত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। আহতরা হলেন, তেলিয়াপাড়া গ্রামের কয়ছর মিয়া ও তার একমাত্র ছেলে আবুল হাসান। গত বৃহস্পতিবার (১০ মে) এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও আহতদের স্বজনরা জানান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম মৌজারস্থ খতিয়ান নম্বর ২৪০ ও ৬২৮ এর প্রকৃত মালিক তেলিয়াপাড়া গ্রামের কয়ছর মিয়ার পিতার নামে রেকর্ডকৃত। এই জায়গাটি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কয়ছর মিয়ার প্রতিবেশী আব্দুল মতিন। এই জায়গার দখর নিতে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে যাচ্ছে তারা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার আব্দুল মতিন লোকজন নিয়ে জায়গাটি দখল নিতে গেলে বাঁধা দেন কয়ছর মিয়া ও তার একমাত্র ছেলে আবুল হাসান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালিয়ে পিতা পুত্রকে মারাত্মক আহত করে আব্দুল মতিন ও তার ভাই মুকিদ মিয়াসহ তাদের ছেলে সুমন, ঝুমন, সাহেল, রাহেল গংরা। এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে আহত পিতা পুত্র দুজনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর কয়ছর মিয়া হাসপাতালে থাকাবস্তায় তড়িঘড়ি করে আব্দুল মতিন মিয়া বাদী হয়ে কয়ছর মিয়া ও তার একমাত্র ছেলে আবুল হাসান-কে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিষয়ে কয়ছর মিয়ার ছেলে আবুল হাসান বলেন, আমাদের জমির ওপর বিরোধীরা জোরপূর্বক জবরদখল করতে এসে আমাদেরকে অন্যায়ভাবে মারধর করলো। আমাদের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করলো, মামলা করবো আমরা উল্টো তারা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এটা নিতান্তই হাস্যকর বিষয়।
এবিষয়ে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি গৌছুল হোসেন বলেন, তেলিপাড়ায় সংঘর্ষের ঘটনা আমরা অবগত হয়েছি। উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিদ্যমান বিরোধ নিরসনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার বৈঠক করে ব্যর্থ হয়েছেন। গতকালকের মারামারির বিষয়ে থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। আমরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা