• ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

চারখাই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ৩ প্রার্থী

Daily Jugabheri
প্রকাশিত নভেম্বর ১৫, ২০২১
চারখাই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ৩ প্রার্থী

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি :
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এই ধাপে দেশের অন্যান্য উপজেলার সাথে বিয়ানীবাজার উপজেলায়ও আগামী মাসের ২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ইউপি নির্বাচন। ইতিমধ্যে নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। প্রতিবেদনের ধারাবাহিকতায় আজকের প্রতিবেদন বিয়ানীবাজার উপজেলার ২নং চারখাই ইউনিয়নের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে-চারখাই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী অহিদ তালুকদার স্বতন্ত্র প্রার্থীতার মোড়কে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এমনটা অনেকটা নিশ্চিত। এছাড়া আরো ২-৩জন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করতে পারেন। সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন মুরাদ চৌধুরী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তবে এ ইউনিয়নে নির্বাচন জমে উঠবে কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটি জানার পর।
এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মরিয়া তিন হেভিওয়েট প্রার্থী। তারা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পল্লব আহমদের অনুসারী আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ আলী, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সালেহ আহমদ সালেহ ও ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল হাসিব।
মাহমুদ আলীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, চারখাই ইউনিয়নে তিনিই আবারো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি হাই-কমান্ড থেকে একটি গ্রিন সিগন্যালও পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সালেহ আহমদ সালেহ আওয়ামী লীগের মনোনয়নের বিষয়ে এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। দল এবার তাকে মনোনয়ন দিয়ে তার দীর্ঘদিনের রাজনীতির মূল্যায়ন করবে। এদিকে আব্দুল হাসিব এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। সিলেটের মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিলেন। তাছাড়া বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি জানান, এলাকার মানুষ পরিবর্তনে বিশ্বাসী। পূর্বের জনপ্রতিনিধিগণ নিজেদের দেওয়া কথা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন, এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জনগণ এবার পরিবর্তন চায়, নতুন কাউকে চায়।
তিনি আরো জানান, ‘দীয়মান ও তরুণ হিসেবে এলাকার নতুন ভোটার ও তরুণ প্রজন্মের কাছে আমার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে দেখে একটি হিংসাত্মক মহল আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাড়াতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব হুমকি ধামকি পরোয়া না করেই আমি জনগণের সমর্থন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি আশাবাদী এবারের ইউপি নিরবাচনে দল আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিয়ে এলাকার উন্নয়নে সেবার সুযোগ দান করবে।’
২নং চারখাই ইউনিয়নে কে হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কান্ডারী জানতে অপেক্ষা করতে হবে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে, যিনিই মনোনয়ন পান না কেনো নির্বাচনে লড়তে হবে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার হওয়া বিদ্রোহী প্রার্থী বিয়ানীবাজার উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি হোসেন মুরাদ চৌধুরীর বিপক্ষে।

সংবাদটি শেয়ার করুন