
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার বাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হয়েছেন ছাত্রলীগের অফিস সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন সালমান এর বাবা আওয়ামী লীগ মৌলভীবাজার সদর ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ি মো: আব্দুস সামাদ। তিনি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন এর গোরারাই গ্রামে বসবাস করতেন ও ২০১৭ সালে আওয়ামীলীগের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক ছিলেন। গত ৭ই মার্চ বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হলে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের দাবি তাকে অপহরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ই মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে মো: আব্দুস সামাদ দোকানে যাওযার উদ্দেশ্যে স্থানীয় গোরারাই বাজারে ঘড় থেকে বের হন। রাত ১২ টা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় তার সাথে থাকা মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তখন পরিবারের লোকজন ও আত্মীয় স্বজন তাকে সম্ভাব্য স্থানসমূহে খোঁজাখুজি করে কোথাও তার সন্ধান পাননি। তবে বাজারের ২/৩ জন ব্যবসায়ী তাদেরকে জানিয়েছেন যে, তারা রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সময় আব্দুস সামাদ মিয়া দোখানে বসে আছেন ও সাথে ছিলো ১নং ইউনিয়ন জামাতের সেক্রেটারি আবু বক্কর ও ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের বি এন পি সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাশেম। তারা কোনো এক বিষয় নিয়ে জোরে কথা বলতেছিলো। এতে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে তারা মৌলভীবাজার সদর থানায় জিডি করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পুলিশ জিডি না নিয়ে বি এন পি নেতাকে সব বলে দেয়। এর পর বিএনপি নেতা আব্দুল কাশেম তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মো: আব্দুস সামাদ এর বাড়িতে পাঠায় তার পরিবারকে হুমকি দেয়ার জন্য। পরিবারের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল মো: আব্দুস সামাদকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছে। কারণ তার পুত্র ইমাদ উদ্দিন সালমান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ছাত্রলীগের ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের অফিস সেক্রেটারি ছিলেন। এর আগেও সালমানের খোঁজে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তার বাড়িতে ও তার বাবার দোকানে ভাংচুর করেছে। সালমানকে তাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য তার পিতাকে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। বিদেশে চলে যাওয়ায় তাকে ফিরিয়ে আনতে তার পিতাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ধারনা করছে তার পরিবার।