
সিলেট নগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
প্রকাশ্যে দিনদুপুরে এই ছিনতাইয়ের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হলেও এখন পর্যন্ত জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে না পারায় নগরজুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মবশ্বির বুধবার বিকেলে বলেন, এই আসামিদের ধরতে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম কাজ করছে। সিসিটিভি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে তাদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, এ ঘটনায় বুধবার বিকের পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। আর মিডিয়ার সাথে কথা লেতে রাজী হননি ছিনতা্ইয়ের শিকার হওয়া নারী।
প্রকাশ্যে এই ছিনতাইয়ের ঘটনাকে রহস্যজনক বলছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ওই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর রোউল হাসান কয়েস লোদী।
তিনি বলেন, ব্যাংকের সামনে ছিনতাইকারীদের একটি চক্র থাকে। কেউ ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হলে, বিশেষত কোন নারী বের হলে ছিনতাইকারীরা খবর পেয়ে যায়। এই ছিনতাইয়ের সাথে একটি চক্র জড়িত।
তিনি বলেন, আমি ঘটনার সাথেসাথেই ছিনতাইয়ের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ কমিশনারের কাছে প্রেরণ করেছি। আশা করছি তারা দ্রুতই ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারে সক্ষম হবেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছিনাইয়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, হাউজিং এস্টেটের ভেতরের সড়ক দিয়ে একটি অটোরিকশা যাচ্ছিলো। তিনটি মোটর সাইকেলে এসে ৬ জন লোক ওই অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর একজচন মোটরসাইকেল থেকে নেমে অটিরিকশার ভেতরে থাকা ব্যাগ ধরে টানাটানি করে। কিছুক্ষণ টানাহ্যাঁচড়ার পর ব্যাগটি নিজের আয়ত্তে নিয়ে মোটর সাইকেল আরোহীরা চলে যায়। এসময় অটোরিকশা থেকে নেমে এক নারী চৎিকার করতে দেখা যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাউজিং এস্টেট এলাকার বাসিন্দা ওই নারী ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। ছিনতাইকারীরা ব্যাগে থাকা তার টাকা ও চেক বইয়ের কয়েকটি পাতা ছিনিয়ে নেয়।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা