
সিলেটে আজ (শনিবার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু তাপমাত্রা নয়—বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকলে শরীরে অনুভূত তাপমাত্রা (Heat Index) আরও অনেক বেশি হতে পারে। ফলে ৩৪–৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে দীর্ঘ সময় রোদে অবস্থান, পর্যাপ্ত পানি পান না করা এবং ভারী শারীরিক পরিশ্রম করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে। এতে প্রথমে হিট এক্সহসশন এবং পরে হিটস্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
হিটস্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, তীব্র দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং জরুরি অবস্থায় খিঁচুনিও হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, প্রয়োজন ছাড়া দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে রোদে বের না হওয়াই ভালো। বাইরে যেতে হলে ছাতা বা টুপি ব্যবহার, হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরা এবং পর্যাপ্ত পানি ও ওরস্যালাইন পান করা উচিত। শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, কারও মধ্যে হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে তাকে দ্রুত ছায়াযুক্ত বা শীতল স্থানে নিয়ে যেতে হবে, আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করতে হবে এবং দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া জরুরি।
আবহাওয়া অীফসের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিলেটে গরমের সঙ্গে আর্দ্রতার প্রভাবও উল্লেখযোগ্য। তাই থার্মোমিটারে তাপমাত্রা ৩৪.৮ ডিগ্রি হলেও শরীরে অনুভূত তাপমাত্রা আরও বেশি হতে পারে, যা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা