
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কের বর্নী আবাসিক এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মো. বাদশা মিয়াকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বাদশা মিয়া সিলেট এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল গ্রামের মো. আব্দুছ ছুবহানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন । গত ৭ সেপ্টেম্বর অসুস্থ মাকে দেখতে তিনি দেশে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট বাদশা মিয়া। সেখানে নিজেকে তিনি মুক্তমনা হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ঘটনার দিন বর্নী আবাসিক এলাকার সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কে একদল লোক তাকে ঘিরে ফেলে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাদশা মিয়া সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে তাওহীদি জনতা। এসময় তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তখন মহাসড়কে পথচারীসহ স্থানীয় লোকজনের ভিড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজনও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এসে তার জীবন রক্ষা করেন।
এ বিষয়ে হামলাকারী তাওহীদি জনতার সুহেল আহমদ নামের একজন বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাদশা মিয়া বিভিন্ন বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। তাকে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এসব মুক্তমনাদের বিরুদ্ধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার এক কর্মকর্তা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় বিষয়ে উসকানিমূলক বা অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বর্নীতে যুবককে মারধরের অভিযোগটিও পুলিশ তদন্ত করে দেখবে বলে জানান তিনি।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : নূরুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক : ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী, সহকারী সম্পাদক : ফাহমীনা নাহাস
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : অপূর্ব শর্মা