• ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

গোবিন্দগঞ্জ সরকারী কলেজের ছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

Daily Jugabheri
প্রকাশিত মে ৭, ২০২৪
গোবিন্দগঞ্জ সরকারী কলেজের ছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ সরকারী কলেজের ছাত্রী লাভলী আক্তার (১৭)কে গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত লাভলী আক্তারের পিতা ছাতক উপজেলার কালারুকা গ্রামের আজাদ মিয়ার পুত্র আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ছাতক থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৩৫১/২০২৫ইং। মামলার আসামীরা হলেন, ১। মোঃ সুমন আলী (২৩), পিতা- মোঃ ফাকের উদ্দিন, সাং- নয়া লম্বাহাটি, ২। সোহেল আহমদ (২৩), পিতা- রুস্তম আলম কুদ্দুছ, সাং- কালারুকা,
উভয় ডাকঘর- কালারুকা, থানা/উপজেলা- ছাতক, জেলা- সুনামগঞ্জ, ৩ । রহিম উদ্দিন (২৫), পিতা- কাদির মিয়া, সাং- গোবিন্দপুর, ডাকঘর- সুনামগঞ্জ, থানা/উপজেলা- সুনামগঞ্জ সদর, জেলা- সুনামগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, লাভলী আক্তার স্থানীয় গোবিন্দগঞ্জ সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়াশোনা করত। আমি ছাতক উপজেলা মাক্রোবাস চালক শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত সভাপতি এবং ১নং আসামী মোঃ সুমন আলী প্রচার সম্পাদক। আমি ও ১নং আসামী একই সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকায় তার সাথে আমার সু-সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। সাংগঠনিক কাজে বিভিন্ন সময় ১নং আসামী আমার বাড়ীতে আসা যাওয়ার সময় আমার মেয়েকে দেখে এবং আমার মেয়ের দিকে তার বদ নজর পড়ে। ১নং আসামী আমার মেয়ে ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। আমার মেয়ে ১নং আসামীর প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে এবং বিষটি আমাকে অবহিত করে। আমি বাধা প্রদান করায় ১নং আসামী আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে, এরই জেরে ০৫/০৫/২০২৪ইং তারিখে আমার মেয়ে ভিকটিম কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমাদের বসত বাড়ী হতে রওনা দিলে ঘটনাস্থল গোবিন্দগঞ্জ সরকারী কলেজের সামনে পৌচামাত্র পূর্ব হইতে মাইক্রোবাসে উৎপাতিয়া থাকা ১নং আসামী ২নং ও ৩নং আসামীর সহযোগীতায় আমার মেয়ে ভিকটিমকে জোর পূর্বক ১নং আসামীর মালিকানা মাইক্রোবাসে উটাইয়া অপহরন করিয়া সুনামগঞ্জ এর দিকে নিয়া যায়। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানাধীন বারেকটিলার পাহাড় ও টিলা বেষ্টিত স্থানে নিয়ে লাভলী আক্তারকে গণধর্ষণ শেষে তাকে অর্ধ উলঙ্গ, রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসাধীণ অবস্থায় লাভলী আক্তার মারা যান।

সংবাদটি শেয়ার করুন