
নিয়োগ-পদোন্নতিতে দুর্নীতি, এবং দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে তদন্তে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই মুখপাত্র যেকোনো মুহূর্তে দেশত্যাগ করতে পারেন এমন আশঙ্কা করছে সরকারি সংস্থাটি। এ কারণে আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদকের পক্ষ থেকে আবেদন করা হবে। আগামী সপ্তাহে এ নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হতে পারে।
দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।
তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধান চলাকালে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।তিনি দেশ ত্যাগ করলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পেয়েছে দুদক। দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে এসব অর্থ পাচার করে বিলাসবহুল সম্পদ কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এগুলো সবই অভিযোগ আকারে রয়েছে। অভিযোগগুলো আমলে নিয়েই তারা অনুসন্ধান শুরু করেছেন।