
হামলাকারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বলে অভিযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ গতকাল নগরীর নেহারীপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একদল দুর্বৃত্ত বাসা দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতি বার (২২ আগস্ট ২০২৪ ইং) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জামাত-শিবির পরিচয়ে কতিপয় দুর্বৃত্ত নগরীর কোতওয়ালী থানাধীন ৯নং ওয়ার্ডস্ত নেহারিপাড়া সি-ব্লকের ৬৬ নং বাসায় হামলা চালায়। বাসার মালিক মোসাঃ লুৎফা খাতুন জানান, হামলাকারীরা জোরপুর্বক বাসায় ঢুকে প্রথমে বাসার ভেতরে ভাংচুর চালায়। এসময় লুৎফা খাতুন তাদেরকে বাধা দিতে গেলে তারা পৌঢ়া লুৎফা খাতুনের সাথে দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে, তারা তাঁকে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলে। হামলাকারীরা তখন জানায় যে, এ বাসা আজ থেকে তাদের। এখানে অন্য কেউ থাকতে পারবে না। এসব বলে একসময় তারা ঘরের আসবাবপত্র ছুঁড়ে বাইরে ফেলতে থাকে। বাসায় থাকা লোকজনের চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলেও হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। একপর্যায়ে ব্যাপক অনুনয়-বিনয়ের পর তারা তখনকার মতো চলে যেতে রাজি হয়। তবে তারা খুব শীঘ্রই এই বাসা দখল করতে অ্যাসবে বলে হুমকি দিয়ে যায়।
লুৎফা খাতুন আরো জানান, হামলাকারী কয়েকজনের সাথে তার বড় ছেলে নাসির মিয়া তালুকদারের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরে তারা বিভিন্নভাবে নাসিরকে হয়রানী ও ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তাকে না পেয়েই হামলাকারীরা এসব করছে। এদিকে, হামলাকারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জামাত-শিবিরের সাথে জড়িত বলে কেউ কিছু বলতে সাহসও পাচ্ছে না। এমন কী পুলিশও তাদের বিরুদ্ধে মামলা নিচ্ছে না। কালকের ঘটনায় তিনি মামলা করতে গেলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে একটি জিডি এন্ট্রি করে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় যোগাযোগ করা হলে, ডিউটি অফিসার এসআই আশরাফুল ইসলাম এ ঘটনায় জিডি এন্ট্রির কথা স্বীকার করলেও মামলা না নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে তিনি খোঁজ নেবেন।