
ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারিফ উদ্দিন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় ও তুখোড় তরুণ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, বর্তমানে নিজের ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
২০১৭ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তারিফ উদ্দিন শুরুতে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে স্হানীয় ও উপজেলা ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদেও থেকে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। দল ও দেশের আদর্শে অনুপ্রাণিত এই তরুণ নেতা এলাকায় জনমানুষের কাছে হয়ে ওঠেন তরুন প্রজন্মের একজন প্রিয় মুখ।
কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ‘গণহত্যা মামলায়’ তাকে অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর পর থেকেই স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ৫ই আগস্টের পর থেকে তাদের ওপর একের পর এক হামলা ও মিথ্যা মামলার ভয়াবহতা নেমে আসে।
২৬শে জুলাই রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে তার পিতা মোঃ নূরুল ইসলাম স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মীদের হাতে মারাত্মক হামলার শিকার হন। এই ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং এলাকাবাসীর মতামতেও হামলার সত্যতা পাওয়া যায়। বর্তমানে তারিফ উদ্দিনের পরিবার গভীর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে।
তারিফ উদ্দিন জানান, “আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের আদর্শে কাজ করেছি, দেশ ও দলের স্বার্থে জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছি। কিন্তু এখন আমার এবং আমার পরিবারের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।”
একসময়ের দাপুটে ছাত্রনেতা এখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা কামনা করেছেন।