
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মহাজোট সমর্থিত (জাতীয় পার্টি) চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় বিএনপি সমর্থিত ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীসহ ৫ কর্মী আহত হয়েছেন।
আজ ২৬ ডিসেম্বর রোববার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৫ ডিসেম্বর শনিবার রাতে ইউনিয়নের লক্ষণাবন্দ উত্তর গাও গ্রামে বিএনপি সমর্থিত ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ওজি মোহাম্মদ কাওছারসহ তার সমর্থকদের ওপর জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী খলকুর রহমান এর সমর্থকরা এ হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা আক্তার হোসেন রিপন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রোশন আহমদের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। এসময় তাদের হামলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর কর্মী রেকল আহমদ, রাজু আহমদ, সামিল মিয়া, রাহাদ চাকলাদার, গিয়াস উদ্দিন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার ২৫ ডিসেম্বর রাতে লক্ষণাবন্দ উত্তর গাও গ্রামে নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে ভোটের প্রচারনায় যান ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ওজি মোহাম্মদ কাওছারসহ তার সমর্থকরা। এ সময় আওয়ামী লীগের শরিক মহাজোট (জাতীয় পার্টি) সমর্থিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী খলকুর রহমান এর সমর্থকরা নির্বাচনের ২৪ ঘন্টা আগে প্রচার প্রচারনা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা আক্তার হোসেন রিপন ও ওজি মোহাম্মদ কাওছারসহ তার সর্মথকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হলে পরে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষে ওজি মোহাম্মদ কাওছারসহ তার ৫ জন সমর্থক আহত হন।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান প্রার্থী ওজি মোহাম্মদ কাওছার জানান, আমি বিএনপি সমর্থিত হওয়ায় আমার জনপ্রিয়তা দেখে ব্যক্তিগত আক্রোশ মিটাতে আমাকেসহ আমার সমর্থকদের উপর মহাজোট সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থক যুবলীগ নেতা আক্তার হোসেন রিপন ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে আহত করে। যা স্পষ্ট নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন।
এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে খলকুর রহমান বলেন নির্বাচনের কয়েক ঘন্টা আগে অবৈধভাবে নির্বাচনী প্রচারণা ও টাকা বিতরণ করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন ওজি মোহাম্মদ কাওছারসহ তার সর্মথকরা। এসময় উত্তেজিত জনতা তাদের উপর হামলা করে।
এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।’ অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে