• ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৭শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

গোলাপগঞ্জের বাঘায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, পরিবারের অভিযোগঃ সরকারী দলের লোকেদের কাজ

Daily Jugabheri
প্রকাশিত নভেম্বর ৩, ২০২২
গোলাপগঞ্জের বাঘায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা, পরিবারের অভিযোগঃ সরকারী দলের লোকেদের কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গতকাল ০২ নভেম্বর, বুধবার, গোলাপগঞ্জে ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জামিল আহমদের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা করে। হামলাকারীরা নিজেদের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী দাবী করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। মোহাম্মদ জামিল আহমদ (২৫) উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামের মোহাম্মদ মারুফ আহমদের পুত্র।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মোহাম্মদ জামিল আহমদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, গোলাপগঞ্জ উপজেলার ০১ নং বাঘা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক। গতকাল বিকালে একদল দুর্বৃত্ত জামিল আহমদের বাড়ির রুস্তমপুরে গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। এসময় তার মা রিনা বেগম (৪৬) ঘর থেকে বেরিয়ে এসে জামিল আহমদকে খোঁজার কারণ জানতে চাইলে তারা জানায় যে, তারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মী। তাদের উর্ধতন নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে নির্দেশ আছে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার। তারা আরো জানায়, জামিল আহমদ সরকার পতনের জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তাকে এক্ষুনি তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

এ সময় রিনা বেগম তাদেরকে জানায় যে, জামিল বাড়ি নেই। সে কোথায় আছে তাও তার জানা নেই। এ কথা শুনে দুর্বৃত্তরা তার উপর চড়াও হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং টেনে হিঁচড়ে তাকে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। এসময় বাড়িতে পরিবারের আর কোনও সদস্য উপস্থিত ছিলো না।

একপর্যায়ে রিনা বেগমের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উচিয়ে ধমক দিয়ে চলে যায়। যাবার সময় এই বলে শাসিয়ে যায় যে, যদি তারা জামিল আহমদকে তাদের হাতে তুলে না দেয় তবে তারা তার পরিবারের সকল সদস্যকে দেখে নেবে।

জামিল আহমদের পরিবার অভিযোগ করেছে, হামলাকারীরা ক্ষমতাসীন দল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী। তাদের কু-কর্মের প্রতিবাদ করার সাহস কারও নেই। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে ভয় পায়। হামলাকারীরা সরকারী দলের কর্মী হওয়ায় তারা কোন আইনী সহযোগিতাও তারা পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় জামিল আহমদের মা রিনা বেগম গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে এবং একটি জিডি এন্ট্রি গ্রহণ করে।

এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ডিউটি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে, ঘটনাটি মামলা করার জন্য “ইনসাফিসিয়েন্ট” তাই তারা এ ঘটনার একটি জিডি গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যতে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন