
স্টফ রিপোর্টার :::
সিলেটের দাসপাড়া সংলগ্ন সিলেট-তামাবিল রোড থেকে অপহৃত গৃহবধু মিতু আক্তারকে হত্যার ঘটনায় শাহপরাণ মডেল থানা ৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শাহপরাণ কালাটিকর এলাকার মোহাম্মদ আজিজুল ইসলামের ছেলে মোরশেদ ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২৩, তারিখ ২৭/০৮/২০২৩ইং। মামলার বাদী গৃহবধু মিতু আক্তারের ভাই মোরশেদ ইসলাম। মামলার আসামীরা হলেন, ১। নাবিলা ফাতেমা (২৪), পিতা: আতাউর রহমান, মাতা: নাজমা বেগম, সাং- দেউল কাপন, ডাক: ভাটেরা, খানাঃ কুলাউড়া, জেলা: মৌলভীবাজার, বর্তমান ঠিকানা: সাং- সবুজবাগ, শিবগঞ্জ, থানা: শাহপরাণ, জেলা: সিলেট, ২। মোঃ লুৎফুর রহমান (৪২), পিতা-মৃত জুনাব আলী, সাং- সবুজবাগ, শিবগঞ্জ, থানা: শাহপরাণ, জেলা: সিলেট, ৩। লাভলী বেগম (৩৮), পিতা- মৃত ওয়াহাব আলী, সাং- সবুজবাগ, শিবগঞ্জ, থানা: শাহপরাণ, জেলা: সিলেট, ৪। আছমা বেগম (৪১) স্বামী-মৃত শাহিদ আলী, সাং- শাপলাবাগ, টিলাগড়, থানা- শাহপরাণ, জেলা-সিলেট, ৫। নূর মিয়া (৩৫), পিতা: মৃত জামাল উদ্দিন, সাং-লামাপাড়া, শিবগঞ্জ, থানা- শাহপরাণ, জেলা-সিলেট। বাদী মোরশেদ ইসলাম লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেন, তার বোনকে আসামীরা দাসপাড়া এলাকা থেকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে হত্যার পর লাশ কুশিঘাট এলাকার সুরমা নদীতে ফেলে দেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় লাশ উদ্ধারের পর পাঠানো হয় সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে। মামলার ১ নং আসামী নাবিলা ফাতেমার সাথে মিতু আক্তারের স্বামী রাশেদুল ইসলামের অবৈধ সম্পর্কসহ বিভিন্ন কারণে মিতুর উপর প্রাণনাশের হুমকি আসে। এরই ধারাবাহিকতায় ১ নং আসামী নাবিলা ফাতেমা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার লোকজন নিয়ে মিতুকে হত্যা করে বলে সাংবাদিকদের জানান মিতুর ভাই মোরশেদ ইসলাম।