• ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নাজিরবাজার আঞ্চলিক যুবলীগ নেতার বাড়ি-দোকান ও কার্যালয় ভাঙচুর : বাবাকে মারধর

Daily Jugabheri
প্রকাশিত আগস্ট ৭, ২০২৪
নাজিরবাজার আঞ্চলিক যুবলীগ নেতার বাড়ি-দোকান ও কার্যালয় ভাঙচুর : বাবাকে মারধর

স্টাফ রিপোর্টার :
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরের দিন (মঙ্গলবার- ৬ আগস্ট) সন্ধ্যারাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের নাজিরবাজার আঞ্চলিক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের বাড়ি, দোকান ও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে ওই নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগও করা হয়। হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া মিজানকে না পেয়ে তার বাবাকে মারপিট করেছে দুর্বৃত্তরা।
মিজান ছাড়াও এলাকার আরও কয়েকজন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতার বাড়িতে এভাবে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মিজানের বাড়ি লালাবাজার ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. মনির মিয়ার ছেলে। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দলীয় কার্যালয় স্থানীয় নাজিবাজারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে অন্তত ৩০ জন দুর্বৃত্ত মিছিলসহকারে এসে যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের ফরিদপুরস্থ বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তার বাবা মনির মিয়া ছাড়া বাড়িতে কেউ ছিলেন না। হামলাকারীরা যুবলীগ নেতা মিজানকে না পেয়ে তার বাবাকে নির্দয়ভাবে মারপিট করে। এছাড়া মিজানের বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে মিজানের বোন এসে বাবাকে উদ্ধার করেন।
এদিকে মিজানকে বাড়িতে না পেয়ে দুর্বৃত্তরা তার নাজিরবাজারস্থ মেসার্স মিজান টেলিকম নামক দোকান ও এর পার্শবর্তী দলীয় কার্যালয়ে তাণ্ডব চালাতে থাকে। কিন্তু সরকার পতনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থাকায় পুলিশ কিংবা ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসতে পারেনি। পরে ঘটনার প্রায় ৩ ঘণ্টা পর সেনাবাহিনীর একটি টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এদিকে, যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুঠোফোনে এ রিপোর্টারকে জানান- তিনি তার স্ত্রীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। এ কারণে স্ত্রীর সৎ ভাইয়েরা নানা অজুহাতে তার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছিলো। তাদের ভয়ে মিজান ও তার স্ত্রী ৫ আগস্টের আগে থেকেই বাড়িতে না থেকে অন্যত্র বসবাস করতেন। মঙ্গলবারের হামলায় স্ত্রীর ভাইয়েরা ছিলেন বলে মিজানের অভিযোগ।
এ বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা পুলিশ স্টেশনে বার বার যোগাযোগ করেও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন