
ছাতক প্রতিনিধি
তথাকথিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফসল অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ফেইসবুক বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় লেখালেখি করায় বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সিলেট সরকারী মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেত্রী ছামিলা বেগমের ছাতক উপজেলাধীন গাগলাজুর গ্রামের বসতবাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের খবর পাওয়া গেছে। এর আগেও গত ২৪ জানুয়ারি এসব সন্ত্রাসী ছামিলা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটতরাজ চালায়। গতকাল পুনরায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী পুনরায় ছামিলা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে এবং বাড়িতে গিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। উল্লেখ্য ৫ আগস্ট ২০২৪ আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে প্রাণ রক্ষার্থে দেশ ত্যাগের পর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ছোট বড় কোন নেতা-কর্মী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর স্মরণকালের ভয়াবহ হামলা, বাড়িঘর সহ হাজার হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ানো এখন নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের পূঞ্জিভূত প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দিচ্ছে। সাধারণ জনসাধারণসহ কেহই এসব সন্ত্রাসীদের ভয়ে সব সময় আতংকিত অবস্থায় রয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আত্মগোপনে থাকলেও তাদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে সন্ত্রাসীরা অবলীলায় লুটতরাজ চালাচ্ছে। হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে নির্বিচারে হত্যা করায় প্রশাসনও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। সাধারণ মানুষের জান-মালের কোন নিরাপত্তা নেই। কার উপর কখন হামলা হবে কেহই বলতে পারছেনা। চারদিকে শুধু বিভীষিকাময় ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রশাসনিকভাবে সন্ত্রাসীদের দমন করতে না পারায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সাধারণ লোকজন ভয়ে ঘরের বাহির হতে পারছেন না। উল্লেখ্য ছাত্রলীগ নেত্রী ছামিলা বেগম ছাতক উপজেলার গাগলাজুর গ্রামের মোঃ ছায়াদ মিয়ার কন্যা। তিনি বর্তমানে প্রাণ রক্ষার্থে ইংল্যান্ডে অবস্থান করলেও সন্ত্রাসীরা তার পিছু ছাড়েনি। তার পরিবারের লোকজন ভয় ও আতংকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছেন।