• ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

মুজিব বর্ষে ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না কেউ : প্রধানমন্ত্রী

Daily Jugabheri
প্রকাশিত নভেম্বর ৯, ২০২০
মুজিব বর্ষে ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না কেউ : প্রধানমন্ত্রী

যুগভেরী ডেস্ক ::::
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকীতে দেশের কোনো মানুষ ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না বলে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার দুপুরে মাদারীপুর, ফরিদপুর এবং মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানগণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করে এ কথা জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, “মুজিব বর্ষে একটা মানুষও ভুমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। মুজিব বর্ষে কোনো লোক যেন গৃহহারা না থাকে সে বিষয়গুলো আপনারা দেখবেন অনেকেই এগিয়ে আসছে।
“সেই সাথে আমরা প্রত্যেকটি ঘরে আলো জ্বালাবো, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছি, দেশের ৯৭ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। ২০২১ সালে আমরা যখন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব, প্রত্যেকের ঘরেই কিন্তু আলো জ্বলবে, আমরা সেইভাবেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করব এবং আমরা বাস্তবায়নও করে যাচ্ছি। রাস্তা ঘাট স্কুল, ব্রিজ সবকিছু আমরা ব্যপক ভাবে করে দিচ্ছি।
“নদী ড্রেজিং করে দিচ্ছি, নৌপথগুলো আমরা সচল করে দিচ্ছি, রেলপথ আমরা উন্নত করে দিচ্ছি, এইভাবে সবক্ষেত্রে আমার কাজ করে যাচ্ছি। একদিকে করোনাভাইরাস যেমন মোকাবেলা করব, অপর দিকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সেটা যেন হয়, আমাদের সেভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। সেবার মনমানসিকতা নিয়েই আপনাদের কাজ করতে হবে। কারণ আওয়ামী লীগ গণমানুষের সেবায় গড়ে উঠা সংগঠন।”
স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের কাছে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, “উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা আমরা অর্জন করেছি। সেটা আমাদের ধরে রাখতে হবে ২০২৪ পর্যন্ত এবং সেটা আমরা ধরে রাখতে পারব। কিন্তু দুর্ভাগ্য, করোনাভাইরাস হওয়ার কারণে আমাদের না শুধু, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে স্থবিরতা চলে এসেছে। এর মাঝে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।
নব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কাজেই আপনাদের বলব, আপনারা নির্বাচিত হয়েছেন জনগণের প্রতি আপনাদের দায়িত্ব আছে। দেশের মানুষের কথা চিন্তা করার। আপনারা জানেন, জাতির পিতা ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করার জন্য যে ১৯টি জেলা ছিল এবং মহকুমা ছিল, সেই মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করেন, ৬০টি জেলা করেন। জেলা গভর্নর নিযুক্ত করেন এবং প্রত্যেকটা জেলা এক একটা ইউনিট হিসেবে গতে তুলেন।
“কীভাবে উন্নয়ন হবে, সেই জেলার মানুষের জীবনমান কিভাবে উন্নতি হবে। এভাবে ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রিকরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যাওয়া এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করা সেটা তিনি শুরু করেছিলেন, যা তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। আমরা সরকারে আসার পর থেকে তিনি যে যে কাজ করতে চেয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন