• ১৭ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

করোনা সংক্রমন রোধে জন সচেতনতায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ

Daily Jugabheri
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২১
করোনা সংক্রমন রোধে জন সচেতনতায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :::
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবারো বেড়েই চলছে। আর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ মাঠে তৎপর রয়েছে।
সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুগ্ধ করতে দ্বিতীয় দফায় মাঠে নেমেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। তবে, সাধারণ মানুষকে বাধ্য করে নয়, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে দেশের চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে ফের নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরুতে লোক সমাগম নিয়ন্ত্রণ ও মাস্ক পরতে বাধ্য করতে মাঠে ছিলো সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা। পরে সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় শিথিল হয় স্বাস্থ্যবিধি। কিন্তু কিছু দিনের ব্যবধানে ফের সংক্রমণের হার আশংকাজনক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় পূর্বের ন্যায় আবারও সারাদেশে মাঠে নেমেছে পুলিশ সদস্যরা। “মাস্ক পরার অভ্যাস করি, কোভিড মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি” এই স্লোগানে লোকসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও মাস্ক পরতে উদ্বুগ্ধ করতে গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) প্রবাস কুমার সিংহের নেতৃত্বে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাফলং পর্যটন এলাকা থেকে শুরু করে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এই মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ, পরিদর্শক (তদন্ত) দিলীপ কান্ত নাথ, এসআই আবুল হোসেন, মারুফ আল মুকিতসহ পুলিশ সদস্যরা।
বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ জানান, করোনার আতঙ্ক কমে যাওয়ায় অনেকেই আগের মতো মাস্ক পরে রাস্তায় বের হচ্ছেন না। ফলে গণ-সচেতনতা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ তাদের ডেকে মাস্ক পরার বিষয়ে সচেতন করছে। যাদের কাছে মাস্ক রয়েছে তাদের মাস্ক পরার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। আর যাদের কাছে মাস্ক নেই তাদের বিনামূল্যে মাস্ক দেয়া হচ্ছে। এক কথায় বলা চলে যারা মাস্ক না পরে রাস্তায় বের হচ্ছেন তাদের মাস্ক পরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। মাস্ক পরার বিকল্প নেই আহ্বান জানাতে চায় পুলিশ, সবাই সাবধানতা অবলম্বন করুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার সবচেয়ে অন্যতম মাধ্যম হলো মাস্ক পরা। তাই জোর করে বা আইন প্রয়োগ করে নয়, আশা করছি সবাই ঝুঁকি ও বিপদ বুঝতে পেরে নিজ থেকেই সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব।
সংবাদটি শেয়ার করুন