• ৬ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

Daily Jugabheri
প্রকাশিত মার্চ ২৮, ২০২১
টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

‘বর্তমান ব্যবস্থাপনা টাঙ্গুয়ার হাওরে
জীব বৈচিত্র রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে’
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::: 
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিটা পানির জলাভূমি ও দেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওরের জীব-বৈচিত্র, বর্তমান ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ করনীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ব জলাভূমি দিসব উপলক্ষ্যে চলমান কর্মসূচির মধ্যে আজ শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের একটি কনফারেনস হলে হাওর এরিয়া আপলিফ্টমেন্ট সোসাইটি-হাউস, হাওর বাঁচাও আন্দোলন তাহিরপুর উপজেলা কমিটি এবং এএলআরডি’র যৌথ আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন তাহিরপুর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক ফেরদৌস আলম আখঞ্জির সভাপতিত্বেও হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ’র সঞ্চালনায় সেমিনারে অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফৌজি আরা বেগম শাম্মী, ভারপ্রাপ্ত জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রাণী বিশ্বাস, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কার্যকারী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, তাহিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেদ আহমেদ, জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোদাচ্ছির আলম, সুনামগঞ্জ পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি একএম আবু নাছার, সহ-সভাপতি মো. শওকত আলী, সুজন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আলী হায়দার, শাহিনা চৌধুরী রুবি, সাধারণ সম্পাদক ফজলুর করিম সাইদ সদস্য মাইদুল ইসলাম, হাওর বাঁচাও আন্দোলন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ, দৈনিক জনকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি এমরানুল হক চৌধুরী, শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাকেরিন রশিদ শিমুল, তাহিরপুর হাওর বাঁচাও আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক তুজাম্মুল হক নাছরুম, সাংবাদিক মানব তালুকদার। সেমিনারে টাঙ্গুয়ার হাওরের জীব-বৈচিত্র, বর্তমান ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ করনীয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের নির্বাহী পরিচালক নির্মল ভট্টাচার্য।
বক্তারা সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ এবং তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদকে সম্পৃক্ত করে টাঙ্গুয়ার হাওর উন্নয়নে ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন,‘বর্তমান ব্যবস্থাপনা টাঙ্গুয়ার হাওরে জীব বৈচিত্র রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। জলজ বন, মাছ, পাখি ও সরীসৃপের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে গেছে, এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে হাওরে মাটি আর পানি ছাড়া কিছু থাকবে না। তাই সবার আগে টাঙ্গুয়ার হাওরকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে এবং স্থানীয় জনগণ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহকে সম্পৃক্ত করে টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’
বক্তারা আরও বলেন,‘১৯৯৯ সালে টাঙ্গুয়ার হাওরকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা এবং ২০০০ সালে রাসমার কনভেনশন অনুযায়ী রাসসার সাইট ঘোষণা করা হয়। ২০০৩ সাল থেকে জেলা প্রশাসন কর্তৃক টাঙ্গুয়ার হাওর ব্যবস্থাপনা নীতিমালা পরিচালনা করা হচ্ছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন