• ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

শাহপরাণ মাজারে হামলা-লুটপাটের মামলার প্রধান আসামি বেলাল অধরা !

Daily Jugabheri
প্রকাশিত মে ৩১, ২০২১
শাহপরাণ মাজারে হামলা-লুটপাটের মামলার প্রধান আসামি বেলাল অধরা !

যুগভেরী ডেস্ক ::: চাঁদা না দেওয়ায় হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারে হামলা লুটপাটের ঘটনার প্রধান আসামি বেলাল আহমদ এখনো প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রকাশ্যে বেলাল শাহপরাণ এলাকায় ঘুরাফেরা করলেও অজনা কারণে গ্রেপ্তার করছে না শাহপরাণ (রহ.) থানাপুলিশ। এতে আতঙ্কে আছে মামলার বাদীসহ অন্যরা পাশাপাশি যেকোন সময় আবারো হামলার আশঙ্কা করছেন মাজার সংশ্লিস্টরা। বেলাল ও তাঁর সহযোগিদের চাঁদাবাজী অতিষ্ঠ শাপহরাণ (রহ.) মাজার ও এলাকার লোকজন। শাহপরাণ মাজারে সে ও তার বাহিনী প্রকাশ্যে চাঁদাবীসহসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই ও ব্যক্তি তার টার্গেটে পরিণত হন। তাই প্রকাশ্যে শাহপরাণ (রহ.)সহ পার্শ্ববতী এলাকার লোকজন তার তাঁর ভয়ে তথস্ট থাকেন। জানা যায়, পবিত্র রমজান মাসের ১ম তারাবির নামাজের শেষে বেলাল ও বদরুল মাজার কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তখন লালকাটঙ্গি গ্রামের গৌছ উদ্দিন পাখি মেম্বারের ছেলে ইমন গদ্দিঘরের সামনে রাখা মসজিদের দানবাক্স শাবল দিয়ে ভেঙে নগদ ১ লক্ষ টাকা নেয়। এসময় তাজ গদ্দিঘরে প্রবেশ করে ভাংচুর করে মোসাফিরের জন্য রাখা ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নেয়। বেলাল ও অন্যান্যরা হামলা চালিয়ে মাজারের খাদেম আজিজকে মেরে গুরুত্বর আহত করে। এ সময় তার পকেটে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। আর বদরুল, নজমুল, আলীসহ অন্যরা মিলে মহিলা ইবাদতখানায় প্রবেশ করে দায়িত্বে থাকা চম্পা বেগমকে মারপিট করে হাত ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং তার শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনায় শাহপরাণ থানার লালকাটঙ্গি গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে বেলাল আহমদকে প্রধান আসামি ও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২০জনকে অজ্ঞাতনামা রেখে এসএমপির শাহপরাণ থানায় অভিযোগ দাখিল করেন হযরত শাহপারণ (রহ.) মাজার ওয়াকফ স্টেট ইসি নং ১৩৬৫১ মোতাওয়াল্লির পক্ষে জামাল আহমদ খাদিম। এসএমপির শাহপারণ (রহ.) থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান, মাজারে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। প্রধান আসামি বেলাল আহমদকে কেন আটক করা হচ্ছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার ব্যাপার না এটা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ব্যাপার। উনি যদি মনে করে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলে মামলা তদন্তের জন্য ভালো হবে, তাহলে উনি গ্রেপ্তার করবেন। তিনি আরও বলেন আপনি ডিউটি অফিসারের কাছ থেকে তদন্ত কর্মকর্তার ফোন নাম্বার নিয়ে উনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন