• ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শাল্লার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষণ

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৩
শাল্লার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষণ
যুগভেরী ডেস্ক ::: ঐতিহ্যবাহী ঘুঙ্গিয়ারগাঁও নামে পরিচিত শাল্লা উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার। এই বাজারে প্রতিদিন উপজেলার হাজারো মানুষের সমাগম হয়ে থাকে। দুবছর পূর্বে পুরাতন বাজারের মধ্য অংশে মাছ, সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খুচরা কেনা বেচার নির্দিষ্ট জায়গা ছিল। বাজার সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাজারের একপাশে একটি সরকারি পুকুরের জায়গা মাটি ভরাট করে নতুন শেড তৈরি করে মাছ, সবজি, ডিম, হাস-মুরগী ও নিত্য প্রয়োজনীয়সহ চায়ের দোকানপাট বসানো হয়েছে৷ নতুন শেড গঠনের পর থেকে এর পাশে পচনশীল ও অপচনশীন ময়লা আবর্জনা ফেলে স্তূপাকৃতি তৈরি হতে দেখা যায়। এর ফলে দুর্গন্ধে চারপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত এর পাশ দিয়ে শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষের যাতায়াত করে। এখানে বাসাবাড়ি, সরকারি/বেসরকারি অফিসের পাশাপাশি খাবারের রেস্তোরাও রয়েছে। এই দুর্গন্ধের কারণে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনায় রয়েছে বয়স্ক, বাচ্চা ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানাযায়, এই নতুন সেডের রাস্তার পাশে একটি সরকারি টয়লেট আছে কিন্তু টাকা দিতে হবে বিধায় টয়লেট ব্যবহার না করে সেডের কর্ণারে দিনের বেলাতে পস্রাব করে আবার রাতে অনেকেই পায়খানাও করে। এর জন্য আরো বেশি সমস্যা হচ্ছে। এই দৃশ্য না দেখার জন্য বাজারের সংলগ্ন বাসিন্দারা তাদের বাড়ির চতুর্দিকে টিন দিয়ে বেড়া দিয়েছেন। যাতে কিছুটা হলেও সুরক্ষিত থাকা যায়। আমরা কয়েকজন দায়িত্বশীলদের বললেও কোন কাজের কাজ হয় নি। এমনকি আমরা নতুন সেডের কিছু ব্যবসায়ী দুর্গন্ধের ফলে ব্যবসা করতে হিমসিম খাচ্ছি।
শনিবার (১১ তারিখ) সরজমিনে এই ময়লা আবর্জনাগুলো দৃশ্যত হয়।
এবিষয়ে বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কালীদাস রায় বলেন, নতুন মার্কেট হওয়ার পর একদিনও ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করা হয় নি। ময়লার দূর্গন্ধে আমাদের ব্যবসা করতে মারাত্নক কষ্ট হচ্ছে। আপনারা নিজেই দেখছেন দুর্গন্ধ সহ্য করে ব্যবসা করছি। এগুলো নির্দিষ্ট একটা জায়গা করে ময়লা ফেললে আমাদের পরিবেশের জন্য ভাল হবে।
এবিষয়ে ডিম ব্যবসায়ী জিলানী বলেন, আমরার এই ময়লার দুর্গন্ধে শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা হচ্ছে।
এবিষয়ে ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা শ্যামল সরকার বলেন, এক সময় এই জায়গাটা খুব গভীর ছিল। কিন্তু এখন নতুন মার্কেট হওয়ায় ময়লা আবর্জনা ফেলে পুকুর ভরাট হচ্ছে। এই ময়লা আবর্জনার ফলে আমাদের চারপাশের পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
এবিষয়ে বাজার কমিটির সেক্রেটারি সুবীর সরকার পান্না বলেন, আমাদের পরিবেশের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় ডাস্টবিন তৈরি করে আবর্জনা ফেলানোর জন্য চেষ্টা করব।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু তালেব বলেন, এই জায়গাটা দেখে ময়লা আবর্জনাগুলো আমি সরানোর ব্যবস্থা নিব।
সংবাদটি শেয়ার করুন