• ১৭ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

একুশের ভোরে শ্রুতির বর্ণমালার মিছিল

Daily Jugabheri
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৩
একুশের ভোরে শ্রুতির বর্ণমালার মিছিল

যুগভেরী ডেস্ক ::: একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে প্রতি বছরের মত এবারও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রুতি আয়োজন করেছে বর্ণমালার মিছিলের। অনুষ্ঠানমালায় ছিল একুশের গান, কবিতা পাঠ ও বর্ণমালার মিছিল।

আজ মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নগ্ন পায়ে একুশের সুরে বর্ণমালার মিছিল শুরু হয়। সবার হাতে হাতে ছিল বর্ণমালা আর কণ্ঠে ছিলো একুশের গান। সূর্যোদয়ের পরপরই গৌরবের বাংলা বর্ণমালা হতে নিয়ে খালি পায়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদান করে শহিদবেদীতে।

বর্ণমালা হাতে বর্ণমালার মিছিলে বারবার উচ্চারিত হয়েছে সেই সব শহিদের আত্মদানের কথা যাদের আত্মত্যাগের ফলে আমরা বাংলায় মা কে ‘মা’ বলে বলতে পারছি।

অনুষ্ঠানে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রুতির সদস্য সচিব সুকান্ত গুপ্ত। আরও বক্তব্য দেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, শ্রুতি সিলেটের সমন্বয়ক সুমন্ত গুপ্ত, আবৃত্তিশিল্পী নন্দিতা দত্ত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের খোকন ফকির, আশরাফুল ইসলাম অনি প্রমুখ।

অর্চিতা ভট্টাচার্য এবং লোপা রায় চৌধুরী পরিচালনায় একুশের গান ও কবিতায় অংশ নেয় সঞ্চিতা পুরকায়স্থ, দিথি তালুকদার তৃনা,অর্পিতা দাশ গুপ্ত, ফারিহা মমতাজ, শ্রাবণ আচার্য্য, সন্দীপ রায়, সৃজন দাশ, অনিক দেবনাথ, শ্রীরাধা দাশ কৃপা, চয়নিকা চয়ন, ঐশ্বর্য কুণ্ডু শ্রেয়া, ঈস্পিতা,লাবিব, শশি, ঐশী প্রমুখ।

বর্ণমালার মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উষা, ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম সিলেটসহ সিলেটের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

বক্তব্যে বক্তারা বলেন, বাঙালির মননে অনন্য মহিমায় ভাস্বর চিরস্মরণীয় একুশে ফেব্রুয়ারি। ইতিহাসের পাতায় রক্ত পলাশ হয়ে ফোটা সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, সফিউর, আউয়াল, অহিউল্লাহর রক্তে রাঙানো অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ। রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবহ মহান শহিদ দিবস। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

মাথা নত না করার চির প্রেরণার অমর একুশের এ দিনে সারা বিশ্বের কোটি কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে একুশের অমর শোকসংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি…।’

ভাষা শহিদদের রক্তে শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছিল দুঃখিনী বর্ণমালা, মায়ের ভাষা। বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের যে সংগ্রামের সূচনা সেদিন ঘটেছিল, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথ বেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। একুশে ফেব্রুয়ারি তাই বাঙালির কাছে চির প্রেরণার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন