• ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ১৬ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

২৬ নং ওয়ার্ডবাসীসহ সবার কাছে লিপন বকস্’র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

Daily Jugabheri
প্রকাশিত জুন ২২, ২০২৩
২৬ নং ওয়ার্ডবাসীসহ সবার কাছে লিপন বকস্’র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

টানা ৩য় বারের মতো নির্বাচিত ২৬ নং ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ ২৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও ওয়ার্ডের সকল মা, ভাই, বোনসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন । তিনি এক প্রেস বার্তায় বলেন, আমার বাবা মা নেই, তারপরও আমি এতিম নই, কারণ ২৬ নং ওয়ার্ডের প্রত্যেক বাবা ও মায়ের সন্তান আমি ।

২৬ নং ওয়ার্ডের কদমতলী, ঝালোপাড়া, ভার্থখলা ও সাধুরবাজারের পঞ্চায়েতগণ ও মুরব্বীদের কাছে আমি চিরঋনি। আমার নির্বাচনি প্রচার ও প্রচারণায় ২৬ নং ওয়ার্ডের তরুণ ও যুব সমাজ যে ভুমিকা পালন করেছেন, তাদের আমি ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না । আমি তাদের ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। আমি ঋণি আমার প্রবাসে থাকা সকল আপনজনদের কাছে। তারা প্রবাসে থেকে ও আমার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে আমাকে সমর্থন জানিয়েছেন। আমি কারো একক নাম ধরে কৃতজ্ঞতা জানাতে পারবো না। কারণ আমি ২৬ নং ওয়ার্ডবাসীর। আমি চার এলাকার শ্রদ্বেয় মুরব্বীয়ান ও পঞ্চায়েতগণের সমর্থিত প্রার্থী ছিলাম। আমার নির্বাচনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা রাতদিন বিরামহীন পরিশ্রম করেছেন,তাদের প্রতি আমার হৃদয় উজার করা ভালোবাসা রহিল। আমি সবার কাছে দোয়া ও ভালোবাসার মানুষ হয়ে বেচেঁ থাকতে চাই। আমি চাই ২৬ নং ওয়ার্ডের অবশিষ্ট যে কাজ রয়েছে, তা সুষ্ট ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা। আমি আমার বাকি জীবন আমার মেধা ও শ্রম দিয়ে ওয়ার্ডবাসীর সেবা করে যেতে চাই ।

উল্লেখ্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২১শে জুনের নির্বাচনে বিপুল ভোটে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেন রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন। রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন, একজন সমাজসেবী ও মানবপ্রেমী। অসহায় নীপিড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করা এ মানুষটি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানবসেবায়। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কেন্দ্রীক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী বকস্ পরিবারের সন্তান রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন। পরিবারের সবাই বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থাকলেও রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপনকে তার পরিবারের সদস্যরা এলাকার মানুষের সেবা করার জন্য ছেড়ে দেন।

রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপনের নিজ জন্মস্থান কদমতলীর পঞ্চায়েত গনের অনুমতি নিয়ে প্রথম কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পূনরায় তিনি ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। বিগত ১০ বছর ধরে তিনি একাধারে ছিলেন কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র ১ ও বেশ কয়েকবার ভারপ্রাপ্ত মেয়র। বিগত ১০ বছরে গোটা ২৬ নং ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লার রাস্তা ঘাট এমন কি সাধারণ বাসিন্দাদের বাড়ির উঠান পর্যন্ত পাকা করে দেন তিনি।

বয়স্ক বিধবা প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন শিশু ভাতা ও তিনি প্রদান করেছেন সমান তালে। ওয়ার্ডের কদমতলী, ঝালোপাড়া,ভার্থখলা,সাধুরবাজার,চাদনীঘাট, বাবনা গাঙু থেকে শুরু করে ২৬ নং ওয়ার্ডের অলিগলিতে রয়েছে তার উন্নয়নের ছোয়া। মানুষের শেষ ঠিকানা কবর স্থান, ২৬ নং ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় কবরস্থান হচ্ছে কদমতলী পঞ্চায়েতী কবরস্থান। সেই শেষ ঠিকানার উন্নয়ণে আধুনিক নকশার মাধ্যমে কাজ তার হাত ধরেই চলছে। ওয়ার্ডের ভেতরে যে সব ট্রেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা সব গুলোই আরসিসি ডালাই ও মজবুত। টেকসই উন্নয়নে রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বর্তমান সিটি নির্বাচনে রোটারিয়ান তৌফিক বকস্ লিপন কদমতলী, ঝালোপাড়া, ভার্থখলা, সাধুরবাজার, চাদনীঘাট, বাবনা গাঙু এলাকার মুরব্বী যুবক ও তরুনদের সমর্থন নিয়ে ঠেলাগাড়ি প্রতিকের প্রার্থী হয়েছিলেন এবং জয়লাভ করেন। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি।

সংবাদটি শেয়ার করুন